ব্যবহারিক খাতা প্রস্তুতি (নমুনা)

বিষয়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

ব্যবহারিক পরীক্ষার মোট নম্বর- ২৫ (এক ক্রেডিটের আলাদা কোর্স)

রিপোর্ট বুক প্রশ্ন:

  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার এসেম্বল (০৩/০৫/২০২৬ খ্রি.)
  2. অভ্র কীবোর্ড সফটওয়্যার ইন্সটলেশন (১০/০৫/২০২৬ খ্রি.)
  3. Microsoft Word / WPS Office ব্যবহার করে সিভি তৈরি (১৭/০৫/২০২৬ খ্রি.)
  4. MS Word / WPS Office ব্যবহার করে চাকরির আবেদন তৈরি (২৪/০৫/২০২৬ খ্রি.)
  5. শিক্ষা ব্যবস্থায় ইন্টারনেটের ভূমিকা নিয়ে Power Point Presentation তৈরি (০৭/০৬/২০২৬ খ্রি.)
  6. নতুন ইমেইল একাউন্ট তৈরি (১৪/০৬/২০২৬ খ্রি.)
  7. ফাইভার এ একটি নতুন একাউন্ট তৈরি (২১/০৬/২০২৬ খ্রি.)

জরুরী প্রয়োজনে - WhatsApp: 01738490426

প্রকৌশলী আসিফ সাঈফ
B.Sc. in EEE, KUET
Core Trainer (ICT), National University
প্রভাষক ও বিভাগীয় প্রধান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ
সরকারি হাজী মুহাম্মদ মুহসিন কলেজ, খুলনা


পরীক্ষণ নংঃ ০১ তারিখ: ০৩/০৫/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ ডেক্সটপ কম্পিউটার এসেম্বল (Desktop Computer Assembly)

তত্ত্ব:

ডেস্কটপ কম্পিউটার হলো বিভিন্ন হার্ডওয়্যার অংশের সমন্বয়ে গঠিত একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র। কম্পিউটারের প্রতিটি অংশ নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে এবং সব অংশ সঠিকভাবে সংযুক্ত হলে একটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি হয়। ডেস্কটপ কম্পিউটার এসেম্বল বলতে CPU কেসিং-এর ভিতরে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সঠিকভাবে বসানো এবং বাইরের ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে কম্পিউটারকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলাকে বোঝায়।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ

১. হার্ডওয়্যারঃ

২. সফটওয়্যার:

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবহারঃ

  1. প্রথমে সব হার্ডওয়্যার অংশ সঠিকভাবে আছে কিনা পরীক্ষা করি।
  2. বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে কাজ শুরু করি।
  3. ধূলো ও স্থির বিদ্যুৎ (Static Electricity) থেকে যন্ত্রাংশ রক্ষা করি।

কার্যপ্রণালী / প্রক্রিয়া অনুসরণঃ

  1. CPU কেসিং খুলে একটি সমতল স্থানে রাখি।
  2. মাদারবোর্ড কেসিং-এর ভিতরে সঠিকভাবে বসাই।
  3. মাদারবোর্ডে প্রসেসর সতর্কতার সাথে স্থাপন করি।
  4. প্রসেসরের উপর কুলিং ফ্যান সংযুক্ত করি।
  5. RAM মাদারবোর্ডের নির্দিষ্ট স্লটে প্রবেশ করাই।
  6. হার্ডডিস্ক বা SSD কেসিং-এর ভিতরে বসাই।
  7. পাওয়ার সাপ্লাই (SMPS) কেসিং-এ স্থাপন করি।
  8. সব ডাটা কেবল ও পাওয়ার কেবল মাদারবোর্ড ও স্টোরেজ ডিভাইসের সাথে সংযুক্ত করি।
  9. কেসিং বন্ধ করি।
  10. মনিটর, কীবোর্ড ও মাউস CPU-এর সাথে সংযুক্ত করি।
  11. পাওয়ার কেবল সংযুক্ত করে কম্পিউটার চালু করি।

চিত্রঃ কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ (লেবেলসমূহ):

  1. Cooling system
  2. Processor
  3. RAM
  4. Power supply
  5. Hard drive (SSD)
  6. Motherboard
  7. Graphics card
  8. Case

ফলাফল / ফাইল সংরক্ষণ:

উপরোক্ত ধাপগুলো অনুসরণ করে সফলভাবে একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার এসেম্বল করা হয়েছে। এসেম্বলের পর কম্পিউটারটি সঠিকভাবে চালু হয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে।

পরীক্ষণ নংঃ ০২ তারিখ: ১০/০৫/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ অভ্র কীবোর্ড সফটওয়্যার ইনস্টলেশন

তত্ত্ব:

অভ্র কীবোর্ড একটি জনপ্রিয় বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার, যা ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করে সহজে বাংলা লেখার সুবিধা প্রদান করে। এটি ফনেটিক পদ্ধতিতে কাজ করে, ফলে ব্যবহারকারী সহজেই বাংলা টাইপ করতে পারে। অভ্র কীবোর্ড ইন্সটলেশন বলতে কম্পিউটারে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে সঠিকভাবে সেটআপ করার মাধ্যমে বাংলা লেখার উপযোগী করে তোলাকে বোঝায়।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ

১. হার্ডওয়্যারঃ

২. সফটওয়্যারঃ

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবহারঃ

  1. কম্পিউটার সঠিকভাবে চালু আছে কিনা পরীক্ষা করা হয়।
  2. ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে অভ্র কীবোর্ড ডাউনলোড করা হয়।
  3. সফটওয়্যার ইনস্টল করার সময় অন্য অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বন্ধ রাখা হয়।

কার্যপ্রণালী / প্রক্রিয়াঃ

  1. প্রথমে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করা হয়।
  2. সার্চ ইঞ্জিনে "Avro Keyboard Download" লিখে সার্চ করা হয়।
  3. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে অভ্র কীবোর্ডের সেটআপ ফাইল ডাউনলোড করা হয়।
  4. ডাউনলোডকৃত সেটআপ ফাইলের উপর ডাবল ক্লিক করা হয়।
  5. সিকিউরিটি বার্তা এলে Yes বাটনে ক্লিক করা হয়।
  6. Welcome স্ক্রিন এলে Next বাটনে ক্লিক করা হয়।
  7. License Agreement গ্রহণ করে Agree নির্বাচন করা হয়।
  8. Install অপশনে ক্লিক করে ইন্সটলেশন সম্পন্ন করা হয়।
  9. ইন্সটলেশন শেষ হলে Finish বাটনে ক্লিক করা হয়।
  10. টাস্কবারে অভ্র কীবোর্ড আইকন দেখা যায়।
  11. Ctrl + Space চাপ দিয়ে বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তন করা হয়।

ফলাফল / ফাইল সংরক্ষণ:

এই পরীক্ষণের মাধ্যমে অভ্র কীবোর্ড সফটওয়্যার সফলভাবে ডাউনলোড ও ইন্সটল করা হয়েছে। ইন্সটলেশনের পর সফটওয়্যারটি সঠিকভাবে কাজ করছে এবং Ctrl + Space ব্যবহার করে সহজেই বাংলা ও ইংরেজি টাইপিং পরিবর্তন করা যাচ্ছে। এর ফলে কম্পিউটারে দ্রুত ও সহজভাবে বাংলা লেখা সম্ভব হয়েছে। অভ্র কীবোর্ড বাংলা টাইপিংয়ের জন্য একটি কার্যকর ও ব্যবহারবান্ধব সফটওয়্যার।

পরীক্ষণ নংঃ ০৩ তারিখ: ১৭/০৫/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ Microsoft Word/WPS Office ব্যবহার করে সিভি তৈরিকরণ

তত্ত্ব:

সিভি (Curriculum Vitae) হলো একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত ও সুসংগঠিত বিবরণ। সিভি চাকরি, শিক্ষা বা প্রশিক্ষণের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ডকুমেন্ট। Microsoft Word একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে সহজে লেখা সম্পাদনা, ফরম্যাটিং ও নথি সংরক্ষণ করা যায়। Microsoft Word ব্যবহার করে বিভিন্ন ফন্ট, অনুচ্ছেদ বিন্যাস, বুলেট ও নাম্বারিংয়ের মাধ্যমে একটি আকর্ষণীয় ও মানসম্মত সিভি তৈরি করা সম্ভব।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবহার:

  1. কাজের শুরুতে কম্পিউটারের বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করি।
  2. বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক থাকলে কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ অন করে কম্পিউটার চালু করি।
  3. অপারেটিং সিস্টেম চালু হলে প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার Microsoft Word চালু করি।

কার্যপ্রণালী / প্রক্রিয়া অনুসরণ:

  1. কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় Start Menu থেকে Microsoft Word চালু করি।
  2. একটি নতুন Blank Document নির্বাচন করি।
  3. ডকুমেন্টে প্রথমে নাম ও যোগাযোগের তথ্য লিখি।
  4. পর্যায়ক্রমে শিক্ষাগত যোগ্যতা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখি।
  5. প্রয়োজন অনুযায়ী ফন্ট, ফন্ট সাইজ, বোল্ড, অনুচ্ছেদ বিন্যাস ও বুলেট ব্যবহার করে সিভিটি সাজাই।
  6. সিভি সম্পূর্ণ হলে ফাইলটি নির্দিষ্ট নামে সংরক্ষণ করি।

[Curriculum Vitae টাইপ করে পিডিএফ বানিয়ে প্রিন্ট করে প্রিন্ট কপি ব্যবহারিক খাতায় এটাচ করতে হবে]

ফলাফল / ফাইল সংরক্ষণ:

ফাইল মেন্যুতে ক্লিক করে Save As ক্লিক করে hasib.docx নামে ফাইলটি সেভ করি।

পরীক্ষণ নংঃ ০৪ তারিখ: ২৪/০৫/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ MS Word / WPS Office ব্যবহার করে চাকরির আবেদন তৈরিকরণ

তত্ত্ব:

MS Word একটি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট যেমন-চিঠি, আবেদনপত্র, জীবনবৃত্তান্ত (CV) ইত্যাদি সহজে ও সুন্দরভাবে তৈরি করা যায়। চাকরির আবেদনপত্র হলো একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত আবেদন, যার মাধ্যমে আবেদনকারী নির্দিষ্ট পদের জন্য নিজের আগ্রহ ও যোগ্যতা প্রকাশ করে।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ

১. হার্ডওয়্যারঃ

২. সফটওয়্যারঃ

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহারঃ

  1. কম্পিউটার চালু করে MS Word ওপেন করা হয়।
  2. কীবোর্ড ব্যবহার করে আবেদনপত্র লেখা হয়।
  3. MS Word-এর ফরম্যাটিং অপশন ব্যবহার করে আবেদনপত্রটি সুন্দরভাবে সাজানো হয়।

কার্যপ্রণালী / প্রক্রিয়া:

  1. কম্পিউটার চালু করে MS Word ওপেন করা হয়।
  2. Blank Document নির্বাচন করা হয়।
  3. পেজ সেটআপ থেকে কাগজের সাইজ A4 নির্ধারণ করা হয়।
  4. ফন্ট হিসেবে Times New Roman / SutonnyMJ / Kalpurush নির্বাচন করা হয়।
  5. ফন্ট সাইজ সাধারণত ১২ বা ১৪ নির্ধারণ করা হয়।
  6. প্রথমে বাম পাশে তারিখ লেখা হয়।
  7. এরপর প্রাপকের ঠিকানা লেখা হয়।
  8. বিষয় (Subject) লেখা হয়।
  9. মূল আবেদনপত্রের লেখা টাইপ করা হয়।
  10. আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর লেখা হয়।
  11. ফাইলটি Save করা হয় (File → Save As)।

আবেদনপত্র:

তারিখ:
বরাবর
ব্যবস্থাপক
ABC কোম্পানি লিমিটেড
ঢাকা।

বিষয়: অফিস সহকারী পদে চাকরির আবেদন।

মহোদয়,
সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানতে পারি যে, অফিস সহকারী পদে একজন লোক নিয়োগ দেওয়া হবে। আমি উক্ত পদের জন্য একজন আগ্রহী প্রার্থী। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কম্পিউটার বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞান উক্ত পদের জন্য উপযোগী বলে আমি মনে করি। অতএব, আমাকে উক্ত পদে নিয়োগদান করলে আমি আমার দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করব।

ধন্যবাদান্তে/ বিনীত / আপনার একান্ত অনুগত
নাম:
ঠিকানা:
মোবাইল:

পরীক্ষণ নংঃ ০৫ তারিখ: ০৭/০৬/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ শিক্ষা ব্যবস্থায় ইন্টারনেটের ভূমিকা নিয়ে Power Point Presentation

তত্ত্ব:

একাডেমিক প্রেজেন্টেশন হলো কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর তথ্যসমৃদ্ধ ও সুসংগঠিত উপস্থাপনা, যা সাধারণত শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে জটিল বিষয় সহজভাবে উপস্থাপন করা যায় এবং শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব হয়। Microsoft PowerPoint একটি জনপ্রিয় প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে স্লাইড ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, চার্ট ও অ্যানিমেশন সংযুক্ত করে একটি আকর্ষণীয় একাডেমিক প্রেজেন্টেশন তৈরি করা যায়।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির ব্যবহার:

প্রথমে কম্পিউটারের বৈদ্যুতিক সংযোগ ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করি। সংযোগ ঠিক থাকলে পাওয়ার সুইচ অন করে কম্পিউটার চালু করি। অপারেটিং সিস্টেম চালু হলে Microsoft PowerPoint চালু করি।

কার্যপ্রণালী / প্রক্রিয়া অনুসরণ:

  1. Start Menu থেকে Microsoft PowerPoint ওপেন করি।
  2. একটি নতুন Blank Presentation তৈরি করি।
  3. প্রথম স্লাইডে প্রেজেন্টেশনের শিরোনাম লিখি: "Impact of Internet on Education"।
  4. দ্বিতীয় স্লাইডে বিষয়টির ভূমিকা (Introduction) যোগ করি।
  5. পরবর্তী স্লাইডগুলোতে নিচের বিষয়গুলো যুক্ত করি: ইন্টারনেটের সংজ্ঞাশিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার, শিক্ষায় ইন্টারনেটের সুবিধা ও অসুবিধা।
  6. প্রয়োজন অনুযায়ী ছবি ও Bullet Point ব্যবহার করি।
  7. একটি উপসংহার (Conclusion) স্লাইড যোগ করি।
  8. Slide Design ও Formatting ব্যবহার করে প্রেজেন্টেশন সুন্দর করি।
  9. প্রয়োজনে Animation ও Transition যোগ করি।

স্লাইড সমূহের লেআউট (মোট ৬টি স্লাইড):

ফলাফল / ফাইল সংরক্ষণঃ

পাওয়ার পয়েন্টে কাজ শেষ করার পর ফাইলটি নিচের নিয়ম অনুযায়ী সেভ বা সংরক্ষণ করতে হবে:
File → Save As → academic_presentation.pptx → Save

পরীক্ষণ নংঃ ০৬ তারিখ: ১৪/০৬/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ নতুন ই-মেইল অ্যাকাউন্ট (Gmail) তৈরি করা

তত্ত্ব:

Gmail অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা ছাড়াও Google Drive, Google Meet, Google Classroom, YouTube সহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা গ্রহণ করতে পারে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে Gmail অ্যাকাউন্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল পরিচয় হিসেবে বিবেচিত।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:

  1. কম্পিউটার / ল্যাপটপ / স্মার্টফোন
  2. স্থিতিশীল ইন্টারনেট সংযোগ
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. মোবাইল ফোন নম্বর (ভেরিফিকেশনের জন্য)

কাজের ধাপ:

  1. ডিভাইস চালু ও ইন্টারনেট সংযোগ: একটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোন চালু করি এরপর ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করি।
  2. ওয়েব ব্রাউজার চালু: ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত হওয়ার পর যেকোনো একটি ওয়েব ব্রাউজার চালু করি।
  3. Gmail ওয়েবসাইটে প্রবেশ: ব্রাউজারের ঠিকানা বারে https://accounts.google.com লিখে কিবোর্ডের Enter কী-তে চাপ দিই। এতে Gmail-এর সাইন-ইন পেজ প্রদর্শিত হবে।
  4. নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরির অপশন নির্বাচন: Gmail সাইন-ইন পেজে প্রবেশ করার পর Create account বাটনে ক্লিক করি। মেনু থেকে For my personal use নির্বাচন করি।
  5. ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান: নতুন পেজ থেকে First name এবং Last name নির্দিষ্ট ঘরে সঠিকভাবে লিখি।
  6. জন্মতারিখ ও লিঙ্গ নির্বাচন: পরবর্তী পাতায় জন্মতারিখ (মাস, দিন ও বছর) এবং লিঙ্গ নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করি।
  7. ইউজারনেম নির্বাচন: নিজের পছন্দের ইউজারনেম টাইপ করি অথবা প্রস্তাবিত নাম থেকে বেছে নিয়ে Next-এ ক্লিক করি।
  8. পাসওয়ার্ড নির্ধারণ ও নিশ্চিতকরণ: 'Password' বক্সে একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড লিখি এবং 'Confirm' বক্সে একই পাসওয়ার্ড পুনরায় লিখে Next-এ ক্লিক করি।
  9. রিকভারি ই-মেইল: প্রয়োজনে একটি বিকল্প ই-মেইল ঠিকানা প্রদান করি অথবা Skip করি।
  10. মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন: একটি সচল নম্বর প্রদান করে Google থেকে আসা Verification Code টি বসিয়ে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করি।
  11. গোপনীয়তা ও শর্তাবলি গ্রহণ: Privacy and Terms পেজ থেকে শর্তাবলি পড়ে I agree-এ ক্লিক করি।
  12. ব্যক্তিগত অপশনগুলো নিশ্চিতকরণ: Confirm-এ ক্লিক করে নতুন Gmail অ্যাকাউন্ট চালুকরণ সম্পন্ন করি।

ফলাফল:

একটি নতুন Gmail অ্যাকাউন্ট সফলভাবে তৈরি হয়েছে, যার মাধ্যমে ই-মেইল আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন Google সেবা ব্যবহার করা যাবে।

সতর্কতা:

  1. পাসওয়ার্ড কখনও অন্যের সাথে শেয়ার করা যাবে না।
  2. ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা উচিত নয়।
  3. পাবলিক ডিভাইসে কাজ শেষে অবশ্যই Log out করতে হবে।
পরীক্ষণ নংঃ ০৭ তারিখ: ২১/০৬/২০২৬

পরীক্ষণের নামঃ ফাইভার (Fiverr)-এ একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা।

তত্ত্ব:

ফ্রিল্যান্সিং হলো এমন একটি কাজের পদ্ধতি যেখানে কেউ কোনো প্রতিষ্ঠানে স্থায়ীভাবে যুক্ত না থেকেও ইন্টারনেটের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের ক্লায়েন্টদের জন্য কাজ করতে পারে। Fiverr হলো বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস, যেখানে গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, কনটент রাইটিং ও ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ করা যায়। Fiverr-এ কাজ করার জন্য প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করা হয়, যা ফ্রিল্যান্সিং জীবনের প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি:

  1. একটি স্মার্টফোন / কম্পিউটার / ল্যাপটপ
  2. ইন্টারনেট সংযোগ
  3. একটি বৈধ ই-মেইল আইডি
  4. ওয়েব ব্রাউজার (Google Chrome / Mozilla Firefox ইত্যাদি)

কাজের ধাপ:

  1. ব্রাউজার চালু করা: কম্পিউটার, ল্যাপটপ অথবা স্মার্টফোনে যেকোনো একটি ওয়েব ব্রাউজার চালু করি।
  2. Fiverr ওয়েবসাইটে প্রবেশ: ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে www.fiverr.com লিখে Enter চাপ দিই।
  3. Join/Sign Up: হোমপেজের ডান পাশের উপরে থাকা Join অথবা Sign Up বাটনে ক্লিক করি।
  4. অ্যাকাউন্ট তৈরি পদ্ধতি নির্বাচন: ইমেইল, Google বা Facebook-এর মধ্যে যেকোনো একটি নির্বাচন করি।
  5. ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড প্রদান: ই-মেইল ও অন্তত ৮ অক্ষরের শক্তিশালী পাসওয়ার্ড প্রদান করে Continue বাটনে ক্লিক করি।
  6. ইউজারনেম নির্বাচন: একটি ইউনিক ও প্রফেশনাল ইউজারনেম নির্বাচন করি।
  7. অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন: ইমেইল ইনবক্সে পাওয়া ভেরিফিকেশন লিংকে ক্লিক করে অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করি।
  8. প্রোফাইল টাইপ নির্বাচন: Client অথবা Freelancer-এর মধ্যে Freelancer নির্বাচন করি।
  9. প্রোফাইল সেটআপ: ছবি, দক্ষতা (Skills), ভাষা এবং সংক্ষিপ্ত বায়ো যুক্ত করি।
  10. কাজের ধরন নির্বাচন: এককভাবে কাজের জন্য 'Individual' অপশনটি নির্বাচন করি।
  11. অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণকরণ: সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণের মাধ্যমে ফাইভার অ্যাকাউন্ট প্রস্তুত সম্পন্ন করি।

ফলাফল:

Fiverr-এ একটি নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে এবং অ্যাকাউন্ট খোলার ধাপসমূহ সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান অর্জিত হয়েছে।

সতর্কতা:

  1. ভূয়া নাম বা ভুল তথ্য ব্যবহার করা যাবে না।
  2. পাসওয়ার্ড অবশ্যই শক্তিশালী হতে হবে।
  3. একাধিক Fiverr অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  4. অপরিচিত লিংক বা সন্দেহজনক মেসেজে ক্লিক করা যাবে না।
  5. Fiverr-এর নিয়মনীতি (Terms & Conditions) ভালোভাবে পড়তে হবে।